প্রায় ৫০ টি হাতির তাণ্ডবে আতঙ্কিত গুড়গুড়িপাল থানা এলাকার বাসিন্দারা
দি নিউজ লায়ন ; পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর সদর ব্লকের অন্তর্গত গুড়গুড়িপাল থানার গুড়গুড়ি পালের জঙ্গলে রয়েছে প্রায় ৩৩ টি হাতি অপরদিকে গুড়গুড়িপাল জঙ্গল থেকে কিছুটা দূরে আমঝর্ণার জঙ্গলে ১৭ টি হাতি রয়েছে। ওই হাতির দল গোটা এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।
মাঠের ধান চাষ মাঠেই নষ্ট হতে বসেছে। হাতির হামলার আশঙ্কায় সন্ধ্যার পর কেউ বাড়ি থেকে বের হতে পারেনি। সেই সঙ্গে যেভাবে প্রায় ৫০ টি দাঁতাল হাতি এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তাতে যে কোনো সময় অঘটন ঘটার আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। সন্ধ্যে হলেই গ্রামে ঢুকে হাতির দল। তাই গ্রামবাসীরা হাতির হামলার আশঙ্কায় রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে গৃহ বন্দী অবস্থায় রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা দের পক্ষ থেকে বিষয়টি বন দফতর কে জানানো হয়েছে। গ্রামবাসীদের আরো আশঙ্কা ওই দুটি হাতির দল যদি একসঙ্গে হামলা চালায় তাহলে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি করবে। হাতি গুলি ফসলের ও ঘর বাড়ির ক্ষতি করবে। তাই হাতি গুলিকে দ্রুত অন্যত্র পাঠানোর জন্য বন দফতরের কাছে আবেদন করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।
প্রতিদিন হাতির দল কখনো রাজ্য সড়কের উপর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, কখনো আবার মাঠে গিয়ে তান্ডব চালাচ্ছে, আবার কখনো লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। তাই হাতি নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। একদিকে করোনা অন্যদিকে হাতিনিয়ে আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
তাই হাতি তাড়ানোর জন্য এলাকার বাসিন্দারা একজোট হয়ে ছুটে যাচ্ছেন। যদি হাতির দল লোকালয়ে ঢুকে পড়ে তাহলে প্রচুর ক্ষয় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ওই এলাকার গ্রামবাসীরা। তার জন্য বনদপ্তর কে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
কিন্তু বন দফতর এলাকার বাসিন্দাদের হাতিকে উত্তপ্ত করতে নিষেধ করেছে, সেই সঙ্গে হাতির গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয়েছে বলে জানায়, এছাড়াও জঙ্গল এলাকার গ্রামের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই হাতির দলে কয়েকটি বাচ্চা হাতি রয়েছে,তাই ওই এলাকা থেকে হাতি গুলি সরছে না বলে বন দফতরের এক কর্মী জানান।

Post a Comment